• শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বগুড়ার শাহজাহানপুরে স্বামীর বাড়ি থেকে গৃহবধূ রোজিনা নিখোঁজ প্রাইভেট পড়তে গিয়ে নিখোঁজ, কয়েক ঘণ্টা পর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার: আদমদীঘিতে চাঞ্চল্য বগুড়ার শাহজাহানপুরে বিউটি পার্লারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, অতিরিক্ত টাকা দাবি ও ভাঙচুরের অভিযোগ বগুড়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম গ্রাম পুলিশদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি গাবতলী সদর ৭ নং ইউনিয়নের প্রাণের দাবি—একটি পূর্ণাঙ্গ ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন বগুড়ার আদমদীঘিতে গাঁজা ও চোলাইমদসহ ৩ জন গ্রেফতার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা গাবতলীর তরুণী সারিয়াকান্দিতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার, দুই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার বগুড়া শহরে গভীর রাতে ছিনতাই: যাত্রীদের মোবাইল ও টাকা লুট বগুড়ায় এসআইকে ছুরিকাঘাত করে মামলার নথিপত্র ছিনতাই

নওগাঁয় মাদকবিরোধী অভিযানে ৯০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

Reporter Name / ৩৬ Time View
Update : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

নওগাঁ, ৮ জুন: নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৯০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিয়ামতপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং চক্রটির সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জুন পাড়ইল ইউনিয়নে ট্রান্সফরমার চুরির একটি ঘটনার তথ্য পেয়ে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন নওগাঁর পুলিশ সুপার। তদন্তের ধারাবাহিকতায় ৭ জুন রাতে হামেদুল ইসলাম (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তার কথাবার্তায় অসঙ্গতি দেখা দিলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে আরও ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তিনি মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৮ জুন দিবাগত রাতে নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল উপজেলার ৬ নম্বর পাড়ইল ইউনিয়নের তুলার বাঐল গ্রামের একটি বসতবাড়িতে অভিযান চালায়। ভোর পর্যন্ত পরিচালিত ওই অভিযানে ৯০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. হামেদুল ইসলাম (৩৫), পিতা মো. এজামুল এবং মো. রশিদ (৪৪), পিতা মৃত আজমুদ্দিন। উভয়ের বাড়ি তুলার বাঐল গ্রামে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানিয়েছেন, তাদের সঙ্গে আরও কয়েকজন মাদক কারবারি জড়িত রয়েছে। তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত এলাকা দিয়ে ট্রাক ও হাইস মাইক্রোবাসে করে গাঁজা এনে মজুদ করতেন। অভিযানে ব্যবহৃত বাড়ির দোতলার মাটির ভবনটি মাদকের গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হতো বলেও তারা স্বীকার করেছেন।
পুলিশের দাবি, ওই গুদাম থেকে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন এলাকা এবং পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে গাঁজা সরবরাহ করা হতো। এছাড়া প্রতি ৩০ কেজি গাঁজা সংরক্ষণের জন্য বাড়ির মালিক হিসেবে হামেদুল ৫ হাজার টাকা করে পেতেন বলেও জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।
এ বিষয়ে নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “নওগাঁ জেলা পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদক প্রতিরোধে আগামী দিনগুলোতে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।”
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত বিপুল পরিমাণ গাঁজার উৎস এবং এই মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে গভীর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd