গাবতলী বগুড়া প্রতিনিধিঃ- জানা গেছে ০৩/০৫/০২৬ ইং তারিখ রোজ রবিবার দুপুর ১:০০ টায় দড়িপাড়া শিমুলতলা ভাটা সংলগ্ন জায়গা হতে মোঃ আব্দুর রহমান রঞ্জু নামের কোচিংএর মাস্টারকে আসামি মিনহাজুল আকন্দ পিতা মোঃ জামাল আকন্দ গ্রাম কুঁটা মহিন কিডন্যাপ করে নিয়ে যায়। এ সময় তাদের কিডনাপিং এর কাজে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস যোগে কিডন্যাপ করার সময় তার সঙ্গে বেশ কয়েকজন সঙ্গী ছিল।কিডন্যাপ করার কারণ হিসেবে জানা যায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই এই কিডন্যাপিং এর ঘটনা ঘটেছে। যে ব্যক্তি কিডন্যাপ করেছে সে ছিল ছাত্র, ছাত্র হয়ে কিডন্যাপ করেছে মাস্টারকে, কিডন্যাপারের দাবি ছিল ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা, কিন্তু কিডন্যাপ হওয়া আব্দুর রহমান রঞ্জুর আত্মীয়-স্বজন টাকা না দিয়ে কৌশলে যোগাযোগ করেন প্রশাসনের সাথে, তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় তাদের বাড়ি বগুড়া বনানীতে এবং কিডন্যাপার নিজেও বগুড়া বনানীতে একটি হোটেল ব্যবসার সাথে জড়িত।খবরটি মুহুর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার আগেই জেলা গোয়েন্দা শাখা এবং গাবতলী মডেল থানার কিছু চৌকস পুলিশ অফিসার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে শাহজাহানপুর থানার অন্তর্গত জালশুখা নামক জায়গা থেকে কিডন্যাপ হওয়ার ৬ ঘন্টার মধ্যে কিডন্যাপ হওয়া ব্যক্তি আব্দুর রহমান রঞ্জু সহ কিডন্যাপার মিনহাজুল আকন্দ কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।বর্তমানে কিডন্যাপার গাবতলী মডেল থানায় রয়েছে মর্মে জানা যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আরো জানা যায় বর্তমানে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।